রংপুর নগরীতে ১২কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক বর্ধিত ও কালভার্ট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

রংপুর সিটি কর্পোরেশন এর আওতায় নগরীর ময়নাকুটি থেকে নিউজুম্মাপাড়া পাকারমাথা পর্যন্ত ও ফুল আমের তলা মোড় থেকে লাল পুল এবং সোটাপীর মাজার থেকে খটখটিয়া হাইস্কুল পর্যন্ত প্রায় দশ কিলোমিটার সড়কের প্রসস্তকরন ও ১২টি কালভার্ট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু। এ উপলক্ষে গত ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নগরীর ৪নং ওয়ার্ডের ফুল আমের তলা মোড়ে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিটি মেয়র জনাব সরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হারাধন রায় হারা, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল মন্জুর কুঠিয়াল, সাবেক চেয়াম্যান মাহবুবার রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য, এমজিএসপি ও বিশ্ব ব্যাংক অর্থায়নে ১২ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২টি কালভার্ট, প্রায় ১০কিঃ রাস্তা, বিদ্যুতের পোল ও লাইন এবং সৌন্দর্য বর্ধনে রাস্তার দু’ধারে গাছ লাগানোর কাজ সম্পন্ন করা হবে।

আমেরিকাকে চাপে ফেলতে চীনের স্টেল্থ ফাইটার

আমেরিকাকে আবার চ্যালেঞ্জ ছোড়ার তোড়জোড় শুরু চিনে। এ বার আর বাগ্‌যুদ্ধ নয়। প্রযুক্তির লড়াইতে মার্কিন বিমানবাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে চলেছে পিপলস লিবারেশন আর্মির বিমানবাহিনী। স্টেল্থ ফাইটার বা রেডার এড়িয়ে হানা দিতে সক্ষম যুদ্ধবিমান তৈরি করে ফেলেছে চিন। খুব শীঘ্রই চিনা বিমানবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে এই যুদ্ধবিমান। আকাশ যুদ্ধে অামেরিকা চাপে রাখার জন্য নতুন যুদ্ধ কৌশলের অংশ হিসাবে এই যুদ্ধ বিমান বানিয়েছে চীন।জে-২০ নামের এই স্টেল্থ ফাইটার যে চিন তৈরি করছে, তা গোপন ছিল না। আমেরিকার সঙ্গে পাল্লা দিতে এই ধরনের যুদ্ধবিমান তৈরি করা চিনের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি ছিল। ২০১১ সালে প্রথম বার পরীক্ষামূলক ভাবে এই বিমান ওড়ায় চিন। ঘটনাচক্রে সে দিনই চিন সফরে গিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব রবার্ট গেটস। ওয়াকিবহাল মহল বলে, সমাপতন নয়, ইচ্ছাকৃতই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের সফরের দিনে স্টেল্থ ফাইটার উড়িয়েছিল বেজিং। তবে সে উড়ান নেহাতই পরীক্ষামূলক উড়ান ছিল। তখনও জে-২০ নামে ওই যুদ্ধবিমানের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়নি। আরও অনেক প্রযুক্তিগত পরিমার্জন বাকি ছিল।চিনা মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ছবি প্রকাশ পেয়েছে। তাতে বিমানঘাঁটির টারম্যাকে জে-২০ যুদ্ধবিমানের চলাচল এবং উড়ান দেখতে পাওয়া গিয়েছে। ওই ছবির ভিত্তিতেই চিনা মিডিয়া দাবি করে, জে-২০-র নির্মাণ কাজ শেষ। ওই স্টেল্থ ফাইটার চিনা বিমানবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে বিমানবাহিনীর তরফে সে কথা স্বীকার করা হয়নি। পিপলস লিবারেশন আর্মির এয়ার ফোর্স জানিয়েছে, জে-২০-র নির্মাণ কাজ শেষ। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষামূলক উড়ান চলছে। তবে খুব শীঘ্রই এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান চিনা বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে।

ভারতকে হুঁশিয়ার করে দিল যুক্তরাষ্ট্র

পাকিস্তানি ভূখণ্ডে ভারত যে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালানোর দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত তা নিশ্চিত করেনি।সেইসাথে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র জন কিরবি শুক্রবার বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি পাকিস্তানের সাথে উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্য ভারতকে সতর্ক করে দিয়েছে। ওয়াশিংটনে সংবাদ সম্মেলনে কিরব বলেন, পাকিস্তান-ভারতের মধ্যকার উত্তেজনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র অবগত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বৃহস্পতিবার গুলিবিনিময়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।ভারত দাবি করেছে, বৃহস্পতিবার তারা পাকিস্তান ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে। তবে পাকিস্তান এই দাবি অস্বীকার করেছে। তবে পাকিস্তান মিডিয়া দাবি করেছে, হামলা চালাতে আসা ১৪ ভারতীয় সৈন্য নিহত হয়েছে। আর পাকিস্তানের ২ সৈন্য নিহত হয়েছে।
সূত্র : দি নিউজ

দুই সীমান্ত হামলা চালিয়ে ভারতের ১৪ সেনা হত্যা করেছে পাকিস্তান,আটক ১

ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত লাইন অব কন্ট্রোলে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে ২ পাকিস্তানী সৈন্য নিহত হওয়ার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানীরা।

এতে ৮ ভারতীয় সৈন্য নিহত সেই সাথে চান্দু বাবুলাল চৌহান নামের এক ভারতীয় সৈন্যকে এক সেনাকে জীবন্ত ধরার দাবী করেছে পাকস্থান সেনাবাহিনী । পাক বাহিনী বলছে  এই সেনাকে আটক করে গোপন স্থানে নেয়া হয়েছে।চান্দু বাবুলাল চৌহানের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। তিনি মহারাষ্ট্রের নাগরিক এবং তার বয়স ২২ বছর।অবশ্য জিও টিভি জানিয়েছে, দুইটি সীমান্তে মোট ১৪জন ভারতীয় সেনা মারা গেছেন।এছাড়া সীমান্ত রেখা পেরিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঝটিকা হামলার পর সীমান্তে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি নিরাপত্তা চৌকি গুঁড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী। ভারতীয় অভিযানে দুই পাকিস্তানি সেনার মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার ওই তিন চৌকিতে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি এক প্রতিবেদনে বলছে, সীমান্তের কাছে চৌকির সঙ্গে ভারতীয় বাহিনীর প্রধান সরবরাহ রুট বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। এতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে এই সংবাদমাধ্যম।এর আগে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নামে পাক অধিকৃত কাশ্মিরে ভারতের সেনা অভিযানের দাবির পর পাক সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ দফতর এক বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে পাকিস্তানের ভেতরে হামলার তথ্য নাকচ করে দিয়ে পাক সেনাবাহিনী বলছে, সীমান্তে গোলাগুলিতে দুই পাক সেনা নিহত হয়েছে

জ্বালানি তেলের দাম কমছে আবারও

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমায় বাংলাদেশে চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অক্টোবরের মধ্যেই দাম কমানোর কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগে মেঘনা পেট্রল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে কী হারে তেলের দাম কমানো হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।মন্ত্রী জানান, আগামী মাসেই দ্বিতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে নতুন মূল্য কার্যকর করা হবে।দেশব্যাপী তেলের পাম্পগুলোতে ভেজাল তেল বিক্রির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী শাহবাগে একটি সরকারি পাম্পে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরীক্ষা করে অকটেনের গ্রেডে কিছুটা হেরফের ধরা পড়ে।তৎক্ষণাৎ ওই পাম্পে দায়িত্বরতদের হুঁশিয়ার করে মন্ত্রী বলেন, কাল (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে পরবর্তী তিন মাস দেশের সব পাম্পে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। ভেজাল তেল বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিলারশিপ বাতিল করা হবে

পরমাণু হামলা করে ধ্বংস করে দেয়া হবে ভারতকে

এবার ভারতে পরামানু হামলা করার হুমকি দিল পাকিস্তান। তাতে ভারত ধ্বংস হয়ে যাবে, দাবি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।এক বেসরকারি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজ আসিফের হুমকি, “শো কেসে সাজিয়ে রাখার জন্য পরমাণু বোমা বানায়নি পাকিস্তান। আমাদের উপর হামলা করার সাহস দেখালে ভারতকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।” তিনি আরো বলেন, পাকিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারত হামলা চালালে তার পালটা জবাব দিতে প্রস্তুত পাকিস্তানের বিমান বাহিনীও। কাশ্মির প্রসঙ্গও তুলেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, কাশ্মির ইস্যুতে ভারত কারোর থেকে কোনো সমর্থন পায়নি। অন্যদিকে চীন পাকিস্তানের পাশে আছে। উরির সেনা হেডকোয়ার্টারে হামলা ভারতেরই পরিকল্পনামাফিক হয়েছে বলেও দাবি করেন খাওয়াজ আসিফ। কাশ্মির থেকে বিশ্বের নজর সরাতে ভারত নিজেই এই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি তার।

পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ হলে মোদি সরকারের পতন!

পাকিস্তানের সাথে এই মুহূর্তে অন্তত যুদ্ধের পথে যাচ্ছে না ভারত। নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বক্তৃতায় সেটা পরিষ্কার হয়ে গেছে বলে অনেক বিশ্লেষক বলছেন। প্রথম দিকে ভারত সরকারের বিভিন্ন মহল বেশ হুঙ্কার দিয়েছিল। হঠাৎ কেন তারা পিছু হটল?

কলকাতাভিত্তিক একটি নিউজ পোর্টালে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওয়া যাই উঠুক, এই মুহূর্তে কোনো অবস্থাতেই যুদ্ধের পথে হাঁটবে না নরেন্দ্র মোদি সরকার ৷ বরং, কূটনৈতিকভাবেই আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানকে আরো একঘরে করার দক্ষ চাল চালতে পারে ভারত৷ যার অনেকটাই দিল্লি ইতোমধ্যে করেও ফেলেছে৷ গত শুক্রবার জাতিসঙ্ঘের সহ-সচিব রাইজার্ড কারনেকি জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদ মঞ্চ থেকে পাকিস্তানকে সমালোচনা করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, বেলুচিস্তানে যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়, তাহলে যুগপৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরোপ করা হতে পারে৷ এ কথা শোনার পরেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সৈয়দ আকবরউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে জানান, জাতিসঙ্ঘ মঞ্চ থেকে কার্যত শূন্যহাতেই দেশে ফিরেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী৷ কিন্তু প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি পাকিস্তানের হাত একেবারে শূন্য? কোনো রাষ্ট্রই কি পাকিস্তানের সঙ্গে নেই?

কোনো কোনো মতে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী ভারতের থেকে খানিকটা হলেও এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান৷ বিশেষ করে আঞ্চলিক রাজনীতিতে মোদিকে খানিকটা পিছিয়েই রেখেছেন নওয়াজ শরিফ৷

ভারতের কাছে পাকিস্তানের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হলো চীন৷ উরির ঘটনার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রীতিমতো প্রেস বিবৃতি দিয়ে ইসলামাবাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে জি জিনপিংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট সরকার৷ কোনো অবস্থাতেই পাকিস্তানের সঙ্গে তার দেশ যে সম্পর্ক খারাপ করবে না তাও জানিয়েছে চীনা প্রেসি়ডেন্ট জি জিনপিং৷ শুধু তাই নয় কাশ্মীর ইস্যুতেও ইসলামাবাদ-রাওয়ালপিন্ডির সুরই বাজছে বেইজিংয়ের গলায়৷

উরিতে সন্ত্রাসবাদী হামলার বহু আগে থেকেই পাকিস্তানকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের যাবতীয় প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে ইন্দোনেশিয়াও৷ আবার ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে যে তারা বদ্ধপরিকর সে কথা জানিয়েছে মাওবাদী প্রচণ্ডর নেপাল সরকার৷

এদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে চীনের পাশাপাশি পাকিস্তান পাশে পেয়েছে রজব তাইয়েপ এরদোগানের তুরস্ককে৷ আঙ্কারার দাবি, ভারতই ‘অনৈতিকভাবে’ কাশ্মির দখল করে রেখেছে৷ আবার উরিতে সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা করলেও মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কখনই সরাসরি পাকিস্তানের নাম নেয়া হয়নি৷ যদিও ভারতের দাবি, সরাসরি নাম না নিলেও এই হামলার পিছনে যে পাকিস্তানের মদত রয়েছে সেই বার্তাই দিয়েছে ওবামা প্রশাসন৷ অন্যদিকে ভারতের বরাবরের বন্ধু দেশ রাশিয়ার সম্প্রতি গতিবিধি নিয়েও আশঙ্কা বাড়ছে ভারতের কোনো কোনো মহলে৷

ভারতীয় মিডিয়ার ওই খবরে বলা হয়, সুতরাং সব দিক থেকে বিচার করে ভারত কূটনৈতিকভাবে সত্যিই কতটা এগিয়ে তা বলা খুব মুশকিল৷ আর তাই ‘মন কি বাতেঁ’র অনুষ্ঠান হোক কিংবা কোঝিকোড়ে বিজেপির কর্মসমিতির বৈঠক, সব মঞ্চ থেকে ভারতের শাসকপক্ষ পাকিস্তানকে ধমক-চমক দিলেও যুদ্ধের দিকে যে মোদি সরকার পা বাড়াচ্ছে না, তা বলা যেতেই পারে৷ তা ছাড়া কারগিল যুদ্ধের পরে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের পতনের একটা পূর্বস্মৃতিও রয়েছে৷ সেই ইতিহাস বিজেপি ভুলে যায়নি৷

– See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/156123#sthash.NiVFDZQk.dpuf

মুস্তাফিজ নেই বলেই সাকিব ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’!

দীর্ঘদিন পর ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। নতুন একটি রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি এ পুরস্কার পেয়ে বেশ আনন্দিত তিনি। তবে বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান না থাকার কারণেই এ পুরস্কার পেয়েছেন বলে মনে করেন তিনি।রোববার আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সাকিব ব্যাট ও বল হাতে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। ব্যাট হাতে খেলেছেন ৪৮ রানের দারুণ একটি ইনিংস। আর বল হাতে ২৬ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। তাই ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার সাকিবের ঝুলিতেই জমা পড়েছে।ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাকিব অনেকটা হাসির ছলে বলেন, ‘অনেক দিন পর পাওয়া এই পুরস্কার আমার কাছে খুবই আনন্দের। তবে মুস্তাফিজ নেই বলেই হয়তো ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারটি আমি পেয়েছি। সে থাকলে হয়তো পেতাম না।’গত একটি বছর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের অনেক সাফল্যের নায়ক ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। স্বাভাবিক কারণেই ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারগুলো কাটার-মাস্টারেরই দখলে ছিল তখন। এবার মুস্তাফিজ নেই বলেই হয়তো সাকিব পেয়েছেন এই পুরস্কার।

দাফনের সময় কেঁদে ওঠা সেই নবজাতক আর নেই

রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক আবতাব ইউসুফ এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, রোববার রাতে নবজাতকের মৃত্যু হয়। সে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিল।শিশুর পরিবারিক সূত্র জানিয়েছে, শিশুটির নাম রাখা হয়েছিল গালিবা হায়াৎ।গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর জাহিদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়। শিশুটিকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা দেন। ছয় ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে দাফনের সময় শিশুটি কেঁদে ওঠে। এরপর তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়।পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাঙ্গেরি প্রবাসী এক বাংলাদেশির সহায়তায় শনিবার বিকেলে ওই নবজাতককে হেলিকপ্টারে করে ঢাকা নেওয়া হয়।এর আগে নবজাতকের চাচা শামীমুল হক তালুকদার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, শিশুটি বড় ধরনের ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়েছে। রক্ত পরীক্ষার জন্য শিশুটির শরীর থেকে রক্ত নেওয়া হয়েছিল। রক্ত নেওয়ার সেই জায়গা থেকে রক্তপাত বন্ধ করা যাচ্ছে না।

ভারত-পাকিস্তান পারমাণবিক যুদ্ধ হলে তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে মারা যাবে ২০০ কোটি মানুষ

সত্যিই যদি ভারত-পাকিস্তান পারমাণবিক যুদ্ধ লেগে যায়, তাহলে তা ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বব্যাপী, ঘটবে ব্যাপক প্রাণহানি। তিন বছর আগে করা এক গবেষণা বলছে,  পারমাণবিক যুদ্ধ হলে তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। অন্তত ২০০ কোটি মানুষ নিহত হবে। পৃথিবীজুড়ে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে এবং নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে মানবসভ্যতা।কাশ্মীরের উরিতে ১৮ ভারতীয় সেনা নিহতের ঘ্টনায় দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে।ভারত পাকিস্তানে সার্জিক্যাল আক্রমণের পরিকল্পনা করছে। পাল্টা জবাব দিতে দেশটির দিকে মিসাইল তাক করে রেখেছে পাকিস্তান।অনেকের আশংকা, পরিস্থিতির রাশ টেনে না ধরলে ভারত-পাকিস্তান উভয়েই পারমাণবিক যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে।গবেষণা প্রতিবেদনটিতে এও বলা হয়েছে, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সীমিত পর্যায়ে পারমাণবিক যুদ্ধ হলেও বিশ্বের আবহাওয়ামণ্ডলের ব্যাপক ক্ষতি ও শস্যক্ষেত্র ধ্বংস হয়ে যাবে।নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ইন্টারন্যাশনাল ফিজিশিয়ানস ফর দ্য প্রিভেনশন অব নিউক্লিয়ার ওয়্যার এবং ফিজিশিয়ানস ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি নামে দুটি সংগঠন ২০১৩ সালেএই গবেষণামূলক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।সংগঠন দুটি ২০১২ সালের এপ্রিলে গবেষণাটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ভারত-পাকিস্তানের মতো দেশ পারমাণবিক যুদ্ধে জড়ালে ১শ’ কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে।পরে ২০১৩ সালে গবেষণার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, দু’দেশের সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধে চীনের ওপরে প্রভাবের বিষয়টি বাদ রেখেই তারা ২শ’ কোটি মানুষের মৃত্যুর আশংকা করছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, পরমাণু যুদ্ধের ফলে আবহাওয়ামণ্ডলে যে কার্বণ অ্যারোসল কণা ছড়াবে, তাতে সুদূর আমেরিকাতেও কমপক্ষে এক দশক সময় ধরে কৃষি উৎপাদন প্রায় ১০ শতাংশ কমে যাবে।এ কণার প্রভাবে চীনে প্রথম চার বছরে গড়ে ২১ শতাংশ ও পরের ছয় বছর আরও ১০ শতাংশ ধান, গমের উৎপাদন কমে যাবে।১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান স্বাধীনতা অর্জনের পর কাশ্মীরের স্বাধীনতাকে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত অন্তত তিনবার দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ হয়েছে।কাশ্মীর সমস্যার সমাধান না হওয়ায় পরমাণু শক্তিধর দেশ দুটি যে কোনো সময়ে ফের যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে, যা পারমাণবিক যুদ্ধে পর্যবসিত হওয়ার ব্যাপক আশংকা রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ফেলা মার্কিন পরমাণু বোমায় দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

এখন পারমাণবিক বোমা আরও শক্তিশালী, আরও ভয়ংকর। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ওই গবেষণায় বলা হয়, এখন কোনো পারমাণিবক যুদ্ধ মানেই তা মানবসভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার শামিল।