আমেরিকা আর রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ হলে কে জিতবে??

আজ আমেরিকা আর রাশিয়ার মধ্যে যদি যুদ্ধ হয় তাহলে কে জিতবে বা ফলাফল কি হবে সেটা নিয়ে একটা ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করবো।
ধরেন আমেরিকা আর রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধটা ইউরোপের দিক দিয়ে শুরু হবে।দুই দেশ প্রথমে ক্রুজ মিসাইল[ভুমিতে আক্রমন করার যোগ্য মিসাইল] দিয়ে যুদ্ধ শুরু হবে।টার্গেট ভূমিতে থাকা স্থাপনা যতটা সম্ভব ধ্বংস করা।
#১ ক্রুজ মিসাইলঃ
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
টমাহক ক্রুজ মিসাইল=৪০০০টি
এজিএম ৮৬=৪০০টি
এজিএম ১৫৮ =৩০০০টি
অর্থ্যা সর্বমোট ক্রুজ মিসাইল আমেরিকার নিকট রয়েছে ৭৪০০টি
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
ক্যালিবার=৩০০টি
কেএইচ ৫৫/১০১=২০০টি
অর্থ্যা রাশিয়ার নিকট রয়েছে ৫০০টি যা আমেরিকার ১৫ ভাগের মাত্র এক ভাগ।
#২ ট্যাক্টিকেল ব্যালিষ্টিক মিসাইল
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
এটিএসিএমএস= ২০০০টি
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
ইস্কান্দার এম=৫০০টি
টিওসিকেএইচ=৪০০টি
অর্থ্যা রাশিয়ার নিকট আমেরিকার অর্ধেকেরও কম।তো আমেরিকা আর রাশিয়া এই ট্যাক্টিকেল মিসাইলের প্রধান টার্গেট থাকবে বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করা।তবে আমেরিকার সেই সাথে রাশিয়ার স্যাম,বিরাট সৈন্যর বহর এবং জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র ধ্বংস করাও টার্গেটে থাকবে।
রানওয়ে ধ্বংস করলে অনেক ফাইটারকে গ্রাউন্ড করে রাখা লাগবে।যতক্ষন রানওয়ে ঠিক না হচ্ছে ততক্ষন ওইসব বিমান কিছুই করতে পারবে না।
বিমান বাহিনীর দিক দিয়ে আমেরিকা যোজনে যোজনে এগিয়ে
#৩ ফাইটার বিমানঃ
আমেরিকার নিকট রয়েছে
এফ ১৮ সুপার হর্নেট=৬০০টি
এফ ১৮ হর্নেট=৬২০টি
হ্যারিয়ার=১১০টি
এ ১০=২৫০টি
এফ ১৫= ৪৬০টি
এফ ১৬= ৮৫০টি
এফ ২২= ১৮৩টি
এফ ৩৫= ৩০টিসর্বমোট রয়েছে ৩০০০ট
অন্যদিকে রাশিয়ার নিকট রয়েছে
সুখোই ৩৫/৩০=১৩৫টি
মিগ ২৯=১৩০টি
সুখোই ২৭=১৫০টি
মিগ ৩১=১২০টি
সুখোই ৩৩=১৫টি
সুখোই ৩৪=৮০টি
সুখোই ২৫=১৫০টি
সুখোই ২৪=১২০টি
ইয়াক ১৩০=৮০টি
সর্বমোট রয়েছে ৯৮০টি।
ভাল করে খেয়াল করে দেখবেন আমেরিকা সংখ্যার সাথে সাথে মানের দিক দিয়েও এগিয়ে।আমেরিকার বিমান গড়ে আধূনিক এবং কতগুলো “হাইলি এডভান্সড”। যেমনঃ আমেরিকার এফ ২২,এফ ৩৫ এর সমকক্ষ কোন বিমান রাশিয়ার নেই।
অন্যদিকে রাশিয়ার বেশিরভাগ বিমান সেই কোল্ড ওয়ারের।সবচেয়ে আধূনিক হচ্ছে সুখোই ৩৫ তাও আবার খুব অল্পসংখ্যক। কোন “হাইলি এডভান্সড” বিমান নেই।
#৪ পাইলট প্রশিক্ষন
পাইলট প্রশিক্ষন যতবেশি হবে পাইলটের দক্ষতা তত বেশি হবে।তো আপনার বহরে হাইলি এডভান্সড বিমান না থাকলেও হাইলি স্কিলড পাইলট দিয়ে অভাবটা পূরন করা যেতে পারে আর তাছাড়া ইতিহাসও তাই বলে।
তো মার্কিন পাইলটরা বছরে গড়ে ১৮০ ঘন্টা ফ্লাইং করে যেখানে রাশিয়ার ৮০ থেকে ১৩০ ঘন্টা।
#৫ বোমারু বিমানঃ
আমেরিকার নিকট রয়েছে
বি ১বি=৬৩টি
বি ৫২এইচ=৭৬টি
বি ২=২০টি
বি ১
বি ৫২
বি ২
অন্যদিকে রাশিয়ার রয়েছে
টিইউ ২২=৬৩টি
টিইউ ১৬০=১৬টি
টিইউ ৯৫=৬২টি
টিইউ ১৬০
টিইউ ২২
টিইউ ৯৫
আমেরিকার মোট বোমারু বিমান ১৫৯টি যেখানে রাশিয়ার ১৪১টি।প্রায় কাছাকাছি বলতে পারেন।তবে আমেরিকার বি ২ স্টিলথ যেখানে রাশিয়ার কোন স্টিলথ বিমান নেই।
#৬ এয়ার টু এয়ার মিসাইলঃ
সোভিয়েত ভেঙ্গে যাওয়া রাশিয়া এয়ার টু এয়ার মিসাইল বিশেষ করে দূর পাল্লার এয়ার টু এয়ার মিসাইল এবং গাইডেড বোমা দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে।সোভিয়েত ভেঙ্গে পড়ায় এইসব অস্ত্র নিয়ে তেমন একটা গবেষণা করতে পারে নি।
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
★AIM 120D[আধূনিক]=১ হাজারের মত
★AIM 120C[১৯৯০/২০০০ সালের প্রযুুক্তি]= প্রায় ১০,২০০টি!!
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
★আর-৭৭-১[আধূনিক]=১০০টির মত
★আর ৭৩এম[১৯৯০ সালের প্রযুুক্তি]=কয়ে
কহাজার
★আর ২৭টি/আর[১৯৮০]=কয়েক হাজার
#৭ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাঃ
শুধুমাত্র এই একটা জায়গা যেখানে রাশিয়া আমেরিকার থেকে এগিয়ে।অবশ্য তারা অনেকটা বাধ্য হয়ে এইদিকটা এগিয়ে থাকতে হয়েছে।
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
৮০ব্যাটারি প্যাট্রোয়েট স্যাম
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
এস ৩০০=৮৯ ব্যাটারি
এস ৪০০=১২ ব্যাটারি
সুতরাং দেখা যাচ্ছে দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রাশিয়া অনেক এগিয়ে।শুধু দূর পাল্লার না মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও রাশিয়া এগিয়ে।
রাশিয়ার রয়েছেঃ
বাক =৭০ ব্যাটারি
ওসা=৭০ ব্যাটারাি
টর=৩০ ব্যাটারি
প্যান্টসার=১৭ ব্যাটারি
অন্যদিকে আমেরিকার কোন মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই!
স্বল্প পাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও রাশিয়ে এগিয়ে
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
৮০০ এ্যাভান্জার গাড়ি।রেঞ্জ ৫ কিঃমিঃ এর মত।
এ্যাভান্জার
অন্যদিকে রাশিয়ার নিকট রয়েছে
৮০টি Strela ব্যাটারি
৬২টি Tunguska ব্যাটারি [২৫০ গাড়ি]
Strela।রেঞ্জ ৩.৫ কিঃমিঃ+
Tunguska।রেঞ্জ ৮ কিঃমিঃ
রাশিয়ার এই সকল ধরনের স্যাম দিয়ে সম্বনিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।এর ফলে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোর জন্য খুবই কস্টসাধ্য হবে এইসব ভেদ করে রাশিয়ার গভীরে যাওয়া।আসতে পারবে তবে অনেক মূল্য দিতে হবে। স্টিলথ বিমান কিছুটা সুবিধা দিবে আমেরিকাকে তবে এদের সংখ্যা কম।
#৮ যুদ্ধ জাহাজভিত্তিক স্যাম
এখানেও যোজনে যোজনে এগিয়ে আমেরিকা।
মার্কিন নৌ বাহিনীর নিকট রয়েছে
ডেষ্ট্রয়ার=৬২টি
ক্রুজার=২২টি
রেঞ্জ ১৭০ কিঃমিঃ থেকে ৩০০ কিঃমিঃ
তো এইসব জাহাজে যত স্যাম রয়েছে তা ১৭০ ব্যাটারির সমান।সুতরাং দেখা যাচ্ছে ভূমিভিত্তিক স্যামের অভাবটা আমেরিকা যুদ্ধ জাহাজ দিয়ে পুষিয়ে নিচ্ছে।
কোল্ডওয়ারের তুলনায় রাশিয়ার এখন কম সংখ্যক বিমান ঘাঁটি রয়েছে যার জন্য রাশিয়ার বিমান বাহিনীর মূল কাজ হবে ডিফেন্ড করা যেখানে আমেরিকার কাজ হবে অফেন্সিভ বা আক্সমনাত্নক।
#৯ সেনাবাহিনী
আমেরিকার সেনাবাহিনী কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি উভয় দিক দিয়ে এগিয়ে।
আমেরিকার নিকট রয়েছে
৫, ৮০,০০০ সেনা এবং মেরিন
রিজার্ভ সৈন্য রয়েছে ৫,৮৫,০০০
প্যারা মেলিটারি রয়েছে ১ লক্ষের মত
মার্কিন সেনাবাহিনী
রাশিয়ার নিকট রয়েছে
৩,২০,০০০ সেনা,মেরিন এবং প্যারাট্রুপার।
প্যারামিলিটারি রয়েছে ৪ লক্ষের কাছাকাছি।
রাশিয়ার জনগন যুদ্ধে নামতে সরকারের নিকট বাধ্য। কিন্তু রাশিয়ান সরকার মাত্র ৮০ হাজার জনকে এই জন্য প্রশিক্ষন দিতে পেরেছে।
এছাড়া রাশিয়ার রেগুলার সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষনও অতো ভাল না।প্যারামিলিটারি অস্ত্র এবং প্রশিক্ষনের অভাবের জন্য শুধ ডিফেন্সিভ কাজে ব্যবহার করা যাবে
# আর্মর ভেহিকেলঃ
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
ট্যাংঙ্ক=১৯০০টি
পর্যবেক্ষন গাড়ি=২১০০টি
আইএফবি=৪৫৬০টি
আর্টিলারি=১৫০০টি
মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার=৮০০টি
এপিসি=৯১১০টি
মার্কিন মেইন ব্যাটেল ট্যাংঙ্ক Abram
মার্কিন MRLS
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
ট্যাংঙ্ক=২৫৫০টি ট্যাংঙ্ক
পর্যবেক্ষন গাড়ি=১০৬০টি
আইএফবি=১০,৬০০টি
আর্টিলারি=২২৪০টি
মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার=৮৯০টি
এপিসি=৮৪০০টি
রাশিয়ান মেইন ব্যাটেল ট্যাংঙ্ক টি ৯০
রুশ MRLS
তো দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাশিয়া এগিয়ে আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমেরিকা এগিয়ে।তবে এই দুই দেশ কিছু আর্মর ভেহিকেল রিজার্ভে রেখেছে।রিজার্ভের দিক দিয়ে আবার আমেরিকা এগিয়ে। তবে রাশিয়ার আর্মর ফায়ার পাওয়ার বেশি।তাই খুব একটা লজিষ্টিক সার্পোটের দরকার হয় না।মূলত ডিফেন্সিভ কাজের জন্য অন্যদিকে আমেরিকার আর্মর ফায়ার পাওয়ার অফেন্সিভ সেই সাথে লজিষ্টিক সার্পোটের দরকার। যুদ্ধের সময় রাশিয়ার আর্মর পাওয়ার নিজেদের সীমানার ভিতর থাকবে অন্যদিকে সোভিয়েতের পুরনো আর্মর ভেহিকেল মিলে আমেরিকার থেকে অনেক বেশি যান মোতায়েন করতে পারবে যদিও পুরাতন হওয়ায় ঠিক কতগুলো সার্ভিস দেওয়ার যোগ্য সেই ব্যাপারে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে
রাশিয়ার ইউরোপ অংশের দিকে ভূমি সমতল অর্থ্যা কোন পাহাড়ি এলাকা নেই এতে একটা সুবিধা রয়েছে এবং অসুবিধাও রয়েছে।সুবিধা হচ্ছে খুব দ্রুত আর্মর যানের বহরকে অগ্রসর করানো যায় তবে অসুবিধা হচ্ছে সব সময় পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
[পাহাড় থাকলে, পাহাড়ে আড়ালে থাকা কোন কিছুকে রাডার দেখতে পারে না]
এই সুবিধাটি আমেরিকা ভালভাবে নিবে।
আমেরিকার আর্মর ফায়ার পাওয়ার কম তবে ভাল লজিস্টিক সাপোর্ট, দক্ষ সৈন্য এবং সুপিরিয়র এয়ার পাওয়ারেরর জোরে ইউরোপের দিকে রাশিয়ার বেশ খানিকটা ভূমি দখল করে নিতে পারবে আমেরিকা।তবে যথেষ্ট মূল্য আমেরিকাকে দিতে হবে।
#১১ পরিবহন এবং এ্যাটাক কপ্টার
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
পরিবহন কপ্টার=৩৪৪১টি
এ্যাপাচে=৭৩০টি
কোবরা কপ্টার=১৩৬টি
এ্যাপাচে
কোবরা
ব্লাক হক
অন্যদিকে রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
পরিবহন কপ্টার=৫৬৮টি
এমআই ২৪=১০০টি
এমআই ২৮=৭০টি
এমআই ৩৫=৫০টি
কা ৫২=৮০টি
পরিবহন কপ্টার এমআই ৮
এমআই ২৮
কা ৫২
এমআই ৩৫
এমআই ২৪
দেখা যাচ্ছে রাশিয়ার সব ধরনের কপ্টার আমেরিকা থেকে সংখ্যায় অনেক কম সেই সাথে প্রযুুক্তিগত দিক দিয়ে মার্কিন কপ্টার অনেক এডভান্সড।
#১২ পরিবহন বিমান
আমেরিকার নিকট রয়েছেঃ
সি ৫=৫৫টি
সি ১৭=২২২টি
সি ১৩০=৩৬৫টি
সি ১৭
সি ৫
সি ১৩০
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
এন ১২৪=৯টি
এএন ২৬/৭২/১৪০=১৪০টি
এএন ১২=৬৯টি
আইএল ৭৬=১১০টি
এন ১২৪
এএন ২৬
আইএল ৭৬
এএন ১২
দেখা যাচ্ছে যে আমেরিকার পরিবহন বিমানের সংখ্যা অনেক বেশি।তবে একটা ব্যাপার আছে তা হল আমেরিকার বাহিরে নিজস্ব প্রায় ৫৫০টির উপরে সামরিক ঘাঁটি আছে। তো এই সব ঘাঁটির লজিস্টিক সার্পোটের জন্য এই বিশাল সংখ্যক পরিবহন বিমান আমেরিকা দরকার যেখানে রাশিয়ার এতো দরকার নেই।
#১৩ যুদ্ধ জাহাজ
যুদ্ধ জাহাজের দিক দিয়ে আমেরিকা যোজনে যোজনে এগিয়ে
মার্কিন নৌ বাহিনীর নিকট রয়েছে
এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার=১০টি
ডেষ্ট্রয়ার=৬২টি
ক্রুজার=২২টি
পারমানবিক সাবমেরিন=৫৭টি
হেলিকপ্টার ক্যারিয়ার=৯টি
এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার
পারমানবিক সাবমেরিন
হেলিকপ্টার ক্যারিয়ার
ডেষ্ট্রয়ার
ক্রুজার
হিসেব করলে দেখা যাচ্ছে সকল কিছুর ওজন ২৬ লক্ষ ৪০ হাজার টন!!
রাশিয়ার নিকট রয়েছেঃ
ক্যারিয়ার=১টি
ডেষ্ট্রয়ার =১৫টি
ক্রুজার= ৪টি
পারমানবিক সাবমেরিন=২১টি
ফ্রিগেট=৬টি
ডিজেল সাবমেরিন=২১টি
ক্যারিয়ার
ক্রুজার
ডেষ্ট্রয়ার
পারমানবিক সাবমেরিন
সর্বমোট ওজন হচ্ছে প্রায় ৬ লক্ষের কাছাকাছি। যা আমেরিকার ৪ ভাগের একভাগ।সুতরাং খোলা সমুদ্রে এই দুই দেশ যুদ্ধে জড়ালে রাশিয়ার নৌ শক্তিকে শেষ করে দিতে আমেরিকার শুধু সময়ের দরকার হবে।রাশিয়া শুধুমাত্র ক্রুজারের ফায়ার পাওয়ার আমেরিকার থেকে বেশি।
ফলাফল
# দুই দেশই উল্লেখযোগ্য পরিমান ক্ষতির শিকার হবে।অর্থ্যা দুই পক্ষ বিরাট বড় সংখ্যক সৈন্য হারাবে।
# ইউরোপের দিকে দিয়ে প্রায় মস্কো পর্যন্ত আমেরিকা দখল করতে পারবে।তবে পুরো রাশিয়া দখল করতে পারবে না।
# যেহেতু রাশিয়ার কিছু অংশ দখল করতে পারবে সেই হিসেবে আমেরিকাই যুদ্ধে জিতবে।
সবশেষে একটা কথা না বললেই নয় এই রকম পরিস্থিতি আসলে কোন পক্ষ চাইবে না হারতে তাই দুইপক্ষ আইসিবিএম ব্যবহার করবে।তখন যুদ্ধের ফলাফল বলা সম্ভব না।কারন “আমরা জিতেছি” এই কথা দাবি করার মত কেউ আদৌ থাকবে নাকি সন্দেহ!!

Add Comment