No icon

ভূটান আর চীনে অতিষ্ট ভারত,বাংলাদেশ কোথায়?

চীন এবং নেপাল এই দুই প্রতিবেশী নিয়ে অতিষ্ঠ ভারত। একদিকে চীনেত সাথে লাদাখে সংঘর্ষ অন্যদিকে ভুটান কর্তৃক চীনের প্রক্সি গেম।তারই নতুন মাত্রা এনে দিল,ভারতীয় চাষীদের জন্য দেয়া পানিবন্টন ব্যবস্থা বন্ধ করার মাধ্যমে।

আসামের বাকসা জেলা দিয়ে প্রবাহিত চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কৃষকরা চাষের পানি পেতেন।স্থানীয় ভাষায় ডং নামেত এ ব্যবস্থাটির মাধ্যমে আসামের ২৬ টি জেলার কৃষক সেচ পরিসেবা নিচ্ছেন।সেচ মৌসুমে পানি আটকে দেয়ায় বিপাকে পড়েছে উক্ত এলাকার চাষীরা।

আসামীয়দের পানি বন্ধের প্রতিবাদ

 

আর এ নিয়ে আসামেও প্রতিবাদ হয়েছে।ভুটান সরকার অবশ্য কোনও কারণ উল্লেখ করেনি। কেন চ্যানেলের জলের প্রবাহ বন্ধ করা হয়েছে তা নিয়ে একটা কথাও বলছে না ভুটানের প্রশাসন। কিন্তু ইতিমধ্যে বাকসা জেলার চাষিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।এছাড়া,এ নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে।

বাংলাদেশ কি সীমান্ত হত্যায় নীরব থাকবে ? 

এত কিছুর পরেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সীমান্ত হত্যা নিয়ে প্রতিবাদ আর পতাকা বৈঠক ব্যতীত কিছু করা হয়নি। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত সীমান্তে হত্যার লাইসেন্স পায় | তবে এই সীমান্তে হত্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ে যথাক্রমে ২০১৪ এবং ২০১৮ সাল থেকে যখন থেকে বাংলাদেশে একটি অনির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে |ভারতীয় উত্তেজনার মাঝে অন্তত সীমান্ত হত্যা নিয়ে একটি বিবৃতি ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।এরই মাঝে বিগত কয়েকদিন যাবত সীমান্ত হত্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।বাংলাদেশের এ বিষয়ে একটু কঠোরতা অবলম্বন এখন সময়ের দাবী। 

কিন্তু একটি অনির্বাচিত সরকারের পক্ষে, ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদ করা কি আদো সম্ভব ?

Comment As:

Comment (0)