No icon

মুখ থুবরে পড়েছে চট্টগ্রামের চিকিৎসাব্যবস্থা,

চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য হাহাকার করছে চট্টগ্রামের মানুষ

যে চট্টগ্রাম কিনা বছরে ৪৭০০০ হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব যোগান দিয়ে থাকে সরকারকে।

আমাদের জনপ্রতিনিধিরা উদ্যোগ নিলেই মুহূর্তেই সমাধান হয়ে যাবে হসপিটাল সংকট আইসিউ ভেন্টিলেটরসহ অন্যান্য সংকট, দরকার শুধু সদিচ্ছার।

চট্টগ্রামে ভেন্টিলেটর সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা দেওয়ার জন্য শয্যা রয়েছে ১১০টি। ফৌজদারহাট বিআইটিআইডিতে শয্যা আছে ৩০টি। আর বেসরকারি ফৌজদারহাট ফিল্ড হাসপতালে শয্যা ৫০টি। সবগুলো এখন ভর্তি। ফলে নতুন করে এখানে কোনোটিতেই আর রোগী ভর্তি করা যাচ্ছে না। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাউকে বাধ্যতামূলকভাবে ভর্তি করতে হলে কম গুরুত্বপূর্ণ কাউকে শয্যা থেকে বের করে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে সেখানেই আইসোলেশনে থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিতে।

কিন্তু কোথায় যাবে নিম্নবিত্ত মানুষেরা যাদের আপনার আমার বাসার মত সুযোগ সুবিধা নেই , নেই আলাদা রুমের ব্যবস্থা নেই পর্যাপ্ত সুবিধা|

অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত চিকিৎসক জাতীয় অধ্যাপক ডাক্তার নুরুল ইসলাম স্যারের প্রতিষ্ঠান ইউএসটিসির উদ্ভোধনের অপেক্ষায় থাকা নতুন মেডিকেল ভবন সরকার করোনার জন্য অধিগ্রহণ করতে পারেন।

অত্যাধুনিক সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই লাইন,আইসিইউর জন্য আলাদা ডেডিকেটেড স্পেস,করোনার পরীক্ষার জন্য অত্যাধুনিক ল্যাব স্পেস সহ ডেডিকেটেড জেনারেটর, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার সহ সব উন্নত মানের ফ্যাসিলিটি সম্বলিত ১০০০ বেডের নতুন উদ্ভোধনের অপেক্ষায় থাকা "বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল" হতে পারে চট্রগ্রামে করোনা মোকাবেলার জন্য সবচেয়ে আদর্শ স্থান। দরকার শুধু উদ্যোগ আর সদিচ্ছা।

কোথায় চট্টগ্রামের মন্ত্রী,এমপি ,জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ এবং সর্বোপরি বুদ্ধিজীবীগণ ? চট্টগ্রামের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আপনারা কোথায়?

কারো করুণা চাইনা , আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই...

Faisal Siddiqui
Voice of Chittagong

Comment As:

Comment (0)