No icon

করোনাভাইরাস যেভাবে বাতাসে ছড়ায়

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক ড. লিদিয়া মোরাঅস্কা এবং তার টিম ক্লিনিক্যাল ইনফেকশন ডিজিজ (Clinical Infectious Diseases) জার্নালে অতি সম্প্রতি করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ে তাদের নতুন গবেষণা প্রকাশ করেছেন।

সেখানে তারা উল্লেখ করেছেন, একটি ৫ মাইক্রোমিটারের ড্রপলেট (ছোট ছোট কণা) স্বল্প সময়ের মধ্যে ১০ মিটার পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। তার এই গবেষণাপত্রের কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসিসহ সারা পৃথিবী নড়েচড়ে বসেছে। কারণ এতদিন সবাই ধারণা করত ১ থেকে ২ মিটার সামাজিক দূরত্ব মেনে চললেই এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

অথচ ড. লিদিয়া মোরাঅস্কারের এ গবেষণা নতুন কোনো গবেষণা নয়। একেবারে এ বছরের শুরুতেই যখন কভিড-১৯ বিস্তার লাভ করছিল, তখনি টোকিওর তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ গবেষক অধ্যাপক কাযুহিরো তাতেদা প্রকাশ করেছিলেন যে, কোন একটি বদ্ধ ঘরে দশের অধিক মানুষ থাকলে তাদের কথা বলা বা হাঁচি কাশির মাধ্যমে যে ছোট ছোট কণা বের হয় তা রুমের অন্যান্যকে ও সংক্রমণ করতে পারে, কেননা ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত তা বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

তবে মাস্ক ব্যবহার করলে এবং রুমে বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকলে সেই আশংকা অনেকাংশেই কমে যায়। তার গবেষণার ওপর নির্ভর করেই জাপান কভিড-১৯ কে প্রতিহত করতে তিন ‘C’ কে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে যুগান্তরে আমার একটি লেখাও প্রকাশিত হয়েছে। আর তা হল, C- Closed spaces (বন্ধ ঘর), C- Crowded places (ঘন বসতি), C- Close-contact settings (কাছাকাছি বসা)। আর সেজন্যই জাপান কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সফল হয়েছে, এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি এবং মৃতের সংখ্যা এখনও ১০০০ স্পর্শও করেনি।

অধ্যাপক তাতেদার গবেষণার ধারাবাহিকতায় রিকেন (RIKEN) ওসাকা ও কোবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় সম্প্রতি প্রকাশ করেছে যে যখন বদ্ধঘরে একাধিক মানুষ একত্রিত হয়, ডানের বা বামের চেয়ে সামনের ব্যক্তি আক্রান্তের আশংকা অনেক বেশি।

তারা আর প্রকাশ করেছে যে, বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকলে, কভিড-১৯ এর বিস্তার আশংকা অনেক বেশি। আপনারা আরও শুনে থাকবেন, বদ্ধ ঘরে এসি চালানোর চেয়ে জানালা খুলে বাতাসের প্রবাহ বাড়াতে পারলে ঘরকে দ্রুত ভাইরাসমুক্ত করা যায়। যদিও জাপানের বিখ্যাত দাইকিন কোম্পানি সম্প্রতি এমন এসি বাজারজাত করেছে যাতে বাহিরের ফ্রেশ বাতাসের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

পরিশেষে বলব, বাংলাদেশ যেহেতু অত্যন্ত ঘনবসতি পূর্ণ একটি দেশ, আর এখানকার বাতাসের আর্দ্রতা ও অনেক বেশি, সবার আক্রান্তের আশংকাও অনেক বেশি। আপনার পাশের ব্যক্তিটি ও আপনাকে সংক্রমিত করতে পারে। আর তাছাড়া এখন পর্যন্ত কোন কার্যকরী চিকিৎসা ও আবিষ্কার করা যায়নি, তাই আসুন শুধু বাহিরেই নয়, কর্মস্থলে, বদ্ধ জায়গায় সর্বদা মাস্ক ব্যবহার করি এবং যতটা সম্ভব জনসমাবেশ এড়িয়ে চলি।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক ড. লিদিয়া মোরাঅস্কা এবং তার টিম ক্লিনিক্যাল ইনফেকশন ডিজিজ (Clinical Infectious Diseases) জার্নালে অতি সম্প্রতি করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ে তাদের নতুন গবেষণা প্রকাশ করেছেন।

সেখানে তারা উল্লেখ করেছেন, একটি ৫ মাইক্রোমিটারের ড্রপলেট (ছোট ছোট কণা) স্বল্প সময়ের মধ্যে ১০ মিটার পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। তার এই গবেষণাপত্রের কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসিসহ সারা পৃথিবী নড়েচড়ে বসেছে। কারণ এতদিন সবাই ধারণা করত ১ থেকে ২ মিটার সামাজিক দূরত্ব মেনে চললেই এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

অথচ ড. লিদিয়া মোরাঅস্কারের এ গবেষণা নতুন কোনো গবেষণা নয়। একেবারে এ বছরের শুরুতেই যখন কভিড-১৯ বিস্তার লাভ করছিল, তখনি টোকিওর তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ গবেষক অধ্যাপক কাযুহিরো তাতেদা প্রকাশ করেছিলেন যে, কোন একটি বদ্ধ ঘরে দশের অধিক মানুষ থাকলে তাদের কথা বলা বা হাঁচি কাশির মাধ্যমে যে ছোট ছোট কণা বের হয় তা রুমের অন্যান্যকে ও সংক্রমণ করতে পারে, কেননা ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত তা বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

তবে মাস্ক ব্যবহার করলে এবং রুমে বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকলে সেই আশংকা অনেকাংশেই কমে যায়। তার গবেষণার ওপর নির্ভর করেই জাপান কভিড-১৯ কে প্রতিহত করতে তিন ‘C’ কে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে যুগান্তরে আমার একটি লেখাও প্রকাশিত হয়েছে। আর তা হল, C- Closed spaces (বন্ধ ঘর), C- Crowded places (ঘন বসতি), C- Close-contact settings (কাছাকাছি বসা)। আর সেজন্যই জাপান কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সফল হয়েছে, এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি এবং মৃতের সংখ্যা এখনও ১০০০ স্পর্শও করেনি।

অধ্যাপক তাতেদার গবেষণার ধারাবাহিকতায় রিকেন (RIKEN) ওসাকা ও কোবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় সম্প্রতি প্রকাশ করেছে যে যখন বদ্ধঘরে একাধিক মানুষ একত্রিত হয়, ডানের বা বামের চেয়ে সামনের ব্যক্তি আক্রান্তের আশংকা অনেক বেশি।

তারা আর প্রকাশ করেছে যে, বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকলে, কভিড-১৯ এর বিস্তার আশংকা অনেক বেশি। আপনারা আরও শুনে থাকবেন, বদ্ধ ঘরে এসি চালানোর চেয়ে জানালা খুলে বাতাসের প্রবাহ বাড়াতে পারলে ঘরকে দ্রুত ভাইরাসমুক্ত করা যায়। যদিও জাপানের বিখ্যাত দাইকিন কোম্পানি সম্প্রতি এমন এসি বাজারজাত করেছে যাতে বাহিরের ফ্রেশ বাতাসের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

পরিশেষে বলব, বাংলাদেশ যেহেতু অত্যন্ত ঘনবসতি পূর্ণ একটি দেশ, আর এখানকার বাতাসের আর্দ্রতা ও অনেক বেশি, সবার আক্রান্তের আশংকাও অনেক বেশি। আপনার পাশের ব্যক্তিটি ও আপনাকে সংক্রমিত করতে পারে। আর তাছাড়া এখন পর্যন্ত কোন কার্যকরী চিকিৎসা ও আবিষ্কার করা যায়নি, তাই আসুন শুধু বাহিরেই নয়, কর্মস্থলে, বদ্ধ জায়গায় সর্বদা মাস্ক ব্যবহার করি এবং যতটা সম্ভব জনসমাবেশ এড়িয়ে চলি।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক ড. লিদিয়া মোরাঅস্কা এবং তার টিম ক্লিনিক্যাল ইনফেকশন ডিজিজ (Clinical Infectious Diseases) জার্নালে অতি সম্প্রতি করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ে তাদের নতুন গবেষণা প্রকাশ করেছেন।

সেখানে তারা উল্লেখ করেছেন, একটি ৫ মাইক্রোমিটারের ড্রপলেট (ছোট ছোট কণা) স্বল্প সময়ের মধ্যে ১০ মিটার পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। তার এই গবেষণাপত্রের কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসিসহ সারা পৃথিবী নড়েচড়ে বসেছে। কারণ এতদিন সবাই ধারণা করত ১ থেকে ২ মিটার সামাজিক দূরত্ব মেনে চললেই এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

অথচ ড. লিদিয়া মোরাঅস্কারের এ গবেষণা নতুন কোনো গবেষণা নয়। একেবারে এ বছরের শুরুতেই যখন কভিড-১৯ বিস্তার লাভ করছিল, তখনি টোকিওর তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ গবেষক অধ্যাপক কাযুহিরো তাতেদা প্রকাশ করেছিলেন যে, কোন একটি বদ্ধ ঘরে দশের অধিক মানুষ থাকলে তাদের কথা বলা বা হাঁচি কাশির মাধ্যমে যে ছোট ছোট কণা বের হয় তা রুমের অন্যান্যকে ও সংক্রমণ করতে পারে, কেননা ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত তা বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

তবে মাস্ক ব্যবহার করলে এবং রুমে বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকলে সেই আশংকা অনেকাংশেই কমে যায়। তার গবেষণার ওপর নির্ভর করেই জাপান কভিড-১৯ কে প্রতিহত করতে তিন ‘C’ কে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে যুগান্তরে আমার একটি লেখাও প্রকাশিত হয়েছে। আর তা হল, C- Closed spaces (বন্ধ ঘর), C- Crowded places (ঘন বসতি), C- Close-contact settings (কাছাকাছি বসা)। আর সেজন্যই জাপান কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সফল হয়েছে, এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি এবং মৃতের সংখ্যা এখনও ১০০০ স্পর্শও করেনি।

অধ্যাপক তাতেদার গবেষণার ধারাবাহিকতায় রিকেন (RIKEN) ওসাকা ও কোবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় সম্প্রতি প্রকাশ করেছে যে যখন বদ্ধঘরে একাধিক মানুষ একত্রিত হয়, ডানের বা বামের চেয়ে সামনের ব্যক্তি আক্রান্তের আশংকা অনেক বেশি।

তারা আর প্রকাশ করেছে যে, বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকলে, কভিড-১৯ এর বিস্তার আশংকা অনেক বেশি। আপনারা আরও শুনে থাকবেন, বদ্ধ ঘরে এসি চালানোর চেয়ে জানালা খুলে বাতাসের প্রবাহ বাড়াতে পারলে ঘরকে দ্রুত ভাইরাসমুক্ত করা যায়। যদিও জাপানের বিখ্যাত দাইকিন কোম্পানি সম্প্রতি এমন এসি বাজারজাত করেছে যাতে বাহিরের ফ্রেশ বাতাসের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

পরিশেষে বলব, বাংলাদেশ যেহেতু অত্যন্ত ঘনবসতি পূর্ণ একটি দেশ, আর এখানকার বাতাসের আর্দ্রতা ও অনেক বেশি, সবার আক্রান্তের আশংকাও অনেক বেশি। আপনার পাশের ব্যক্তিটি ও আপনাকে সংক্রমিত করতে পারে। আর তাছাড়া এখন পর্যন্ত কোন কার্যকরী চিকিৎসা ও আবিষ্কার করা যায়নি, তাই আসুন শুধু বাহিরেই নয়, কর্মস্থলে, বদ্ধ জায়গায় সর্বদা মাস্ক ব্যবহার করি এবং যতটা সম্ভব জনসমাবেশ এড়িয়ে চলি।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক ড. লিদিয়া মোরাঅস্কা এবং তার টিম ক্লিনিক্যাল ইনফেকশন ডিজিজ (Clinical Infectious Diseases) জার্নালে অতি সম্প্রতি করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ে তাদের নতুন গবেষণা প্রকাশ করেছেন।

সেখানে তারা উল্লেখ করেছেন, একটি ৫ মাইক্রোমিটারের ড্রপলেট (ছোট ছোট কণা) স্বল্প সময়ের মধ্যে ১০ মিটার পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। তার এই গবেষণাপত্রের কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসিসহ সারা পৃথিবী নড়েচড়ে বসেছে। কারণ এতদিন সবাই ধারণা করত ১ থেকে ২ মিটার সামাজিক দূরত্ব মেনে চললেই এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

অথচ ড. লিদিয়া মোরাঅস্কারের এ গবেষণা নতুন কোনো গবেষণা নয়। একেবারে এ বছরের শুরুতেই যখন কভিড-১৯ বিস্তার লাভ করছিল, তখনি টোকিওর তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ গবেষক অধ্যাপক কাযুহিরো তাতেদা প্রকাশ করেছিলেন যে, কোন একটি বদ্ধ ঘরে দশের অধিক মানুষ থাকলে তাদের কথা বলা বা হাঁচি কাশির মাধ্যমে যে ছোট ছোট কণা বের হয় তা রুমের অন্যান্যকে ও সংক্রমণ করতে পারে, কেননা ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত তা বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

তবে মাস্ক ব্যবহার করলে এবং রুমে বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকলে সেই আশংকা অনেকাংশেই কমে যায়। তার গবেষণার ওপর নির্ভর করেই জাপান কভিড-১৯ কে প্রতিহত করতে তিন ‘C’ কে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে যুগান্তরে আমার একটি লেখাও প্রকাশিত হয়েছে। আর তা হল, C- Closed spaces (বন্ধ ঘর), C- Crowded places (ঘন বসতি), C- Close-contact settings (কাছাকাছি বসা)। আর সেজন্যই জাপান কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সফল হয়েছে, এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি এবং মৃতের সংখ্যা এখনও ১০০০ স্পর্শও করেনি।

অধ্যাপক তাতেদার গবেষণার ধারাবাহিকতায় রিকেন (RIKEN) ওসাকা ও কোবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় সম্প্রতি প্রকাশ করেছে যে যখন বদ্ধঘরে একাধিক মানুষ একত্রিত হয়, ডানের বা বামের চেয়ে সামনের ব্যক্তি আক্রান্তের আশংকা অনেক বেশি।

তারা আর প্রকাশ করেছে যে, বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকলে, কভিড-১৯ এর বিস্তার আশংকা অনেক বেশি। আপনারা আরও শুনে থাকবেন, বদ্ধ ঘরে এসি চালানোর চেয়ে জানালা খুলে বাতাসের প্রবাহ বাড়াতে পারলে ঘরকে দ্রুত ভাইরাসমুক্ত করা যায়। যদিও জাপানের বিখ্যাত দাইকিন কোম্পানি সম্প্রতি এমন এসি বাজারজাত করেছে যাতে বাহিরের ফ্রেশ বাতাসের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

পরিশেষে বলব, বাংলাদেশ যেহেতু অত্যন্ত ঘনবসতি পূর্ণ একটি দেশ, আর এখানকার বাতাসের আর্দ্রতা ও অনেক বেশি, সবার আক্রান্তের আশংকাও অনেক বেশি। আপনার পাশের ব্যক্তিটি ও আপনাকে সংক্রমিত করতে পারে। আর তাছাড়া এখন পর্যন্ত কোন কার্যকরী চিকিৎসা ও আবিষ্কার করা যায়নি, তাই আসুন শুধু বাহিরেই নয়, কর্মস্থলে, বদ্ধ জায়গায় সর্বদা মাস্ক ব্যবহার করি এবং যতটা সম্ভব জনসমাবেশ এড়িয়ে চলি।

Comment As:

Comment (0)