No icon

সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে: ডব্লিউএইচও

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় দেশগুলো স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে না পারলে মহামারি পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদরদপ্তরে আয়োজিত ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে সোমবার (১৩ জুলাই) সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস বলেন, “ভুল পথে অনেক বেশি দেশ হাঁটছে। আর এই ভাইরাস গণমানুষের এক নম্বর শত্রু হয়েই থেকে যাচ্ছে।”

“করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে এই মহামারী চলতে থাকবে… পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপ এবং আরও খারাপের দিকে যাবে”, বলছিলেন ডব্লিউএইচও প্রধান।

রয়টার্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতোমধ্যেই বিশ্বে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে পৌনে ৬ লাখের বেশি মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, রবিবার বিশ্বে নতুন আক্রান্ত ২ লাখ ৩০ হাজার জনের মধ্যে ৮০ শতাংশ সংক্রমণ ঘটেছে ১০ টি দেশে। আর ৫০ শতাংশ ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে মাত্র দুটি দেশে। সবেচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে থাকা দেশ দুটি হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল।

পুরোনো দিনের মত সেই স্বাভাবিক অবস্থা সুদুর ভবিষ্যতে আর ফিরে না আসার আশঙ্কা প্রকাশ করে ঘেব্রেয়েসুস বলেন, এটি খুবই উদ্বেগের বিষয়।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় দেশগুলো স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে না পারলে মহামারি পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদরদপ্তরে আয়োজিত ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে সোমবার (১৩ জুলাই) সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস বলেন, “ভুল পথে অনেক বেশি দেশ হাঁটছে। আর এই ভাইরাস গণমানুষের এক নম্বর শত্রু হয়েই থেকে যাচ্ছে।”

“করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে এই মহামারী চলতে থাকবে… পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপ এবং আরও খারাপের দিকে যাবে”, বলছিলেন ডব্লিউএইচও প্রধান।

রয়টার্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতোমধ্যেই বিশ্বে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে পৌনে ৬ লাখের বেশি মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, রবিবার বিশ্বে নতুন আক্রান্ত ২ লাখ ৩০ হাজার জনের মধ্যে ৮০ শতাংশ সংক্রমণ ঘটেছে ১০ টি দেশে। আর ৫০ শতাংশ ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে মাত্র দুটি দেশে। সবেচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে থাকা দেশ দুটি হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল।

পুরোনো দিনের মত সেই স্বাভাবিক অবস্থা সুদুর ভবিষ্যতে আর ফিরে না আসার আশঙ্কা প্রকাশ করে ঘেব্রেয়েসুস বলেন, এটি খুবই উদ্বেগের বিষয়।

Comment As:

Comment (0)