No icon

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৩, সীমান্তে এনডিআরএফ টিম

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সরকারিভাবে করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন রাজ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।নেপাল সীমান্তে এ ব্যাপারে সতর্কতা জারি করার পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যদের মাঠে নামানো হয়েছে।

একইভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রাপোলসহ বিভিন্ন জায়গায় এনডিআরএফ টিম করোনোভাইরাস থেকে বাঁচার উপায় নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।

এদিকে, নতুন করে জম্মু-কাশ্মীর, দিল্লি, কেরালা ও উত্তর প্রদেশে চার জনের শরীরে করোনার সন্ধান পাওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসে ভারতে এখনও পর্যন্ত কারোর মৃত্যু হয়নি বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।

ভারতের জন্য সুখবর হল- প্রথম তিন রোগী এখন সুস্থ হয়ে উঠেছে এবং হাসপাতাল থেকে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তদের এমন ১৬ জন রোগী রয়েছেন, যারা ইতালি থেকে সম্প্রতি ভারতে এসেছিলেন।

ভারতে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক আক্রান্তের ঘটনা কেরালা ও উত্তরপ্রদেশে পাওয়া গেছে। এসব রোগী হয় বিদেশ থেকে এসেছেন অথবা বিদেশ থেকে আগতদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বিদেশিদের ভারত ভ্রমণে বিধিনিষেধ সম্বলিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ইতালিসহ কয়েকটি চিহ্নিত দেশের যাত্রীদের আগমনের ভিসা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৭ লাখেরও বেশি যাত্রীকে বিমানবন্দরে পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে, ব্যবসায়ীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স-এর পক্ষ থেকে বাজারে চলতি নোট থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে চিঠি দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বাজারে চলতি নোট জনস্বাস্থ্যের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ। এর মাধ্যমে সংক্রামক রোগ সহজেই এই ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরেই তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন।

কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স-এর মহাসচিব প্রবীণ খান্ডেলওয়াল বলেন, ‘নোটের মাধ্যমে যে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়তে পারে, তা অনেক বিশেষজ্ঞই বলছেন। সেজন্য করোনাভাইরাসও নোটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এভাবে চলতে থাকলে হাজার সতর্কতা অবলম্বন করলেও ভাইরাসের প্রকোপ আটকানো সম্ভব নয়। তাই নোটের মাধ্যমে করোনা সত্যিই ছড়িয়ে পড়তে পারে কি না, আর পারলেও তার মাত্রা কতটা হতে পারে, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’ সংগঠনটির পক্ষ থেকে ওই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের কাছেও চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে।#

Comment As:

Comment (0)