No icon

শেনজেন ভিসা ব্যবহার করতে পারবে না বাংলাদেশ

শেনজেন ভিসা ব্যবহার করতে পারবে না বাংলাদেশ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৬টি দেশ নিয়ে তৈরি ব্লককে শেনজেন কান্ট্রিস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জুলাইয়ের শুরু থেকে এসব দেশের সীমান্ত খুলে দেয়ার কথা। এ সময়ে এসব দেশে প্রবেশের ভিসা বৈধ হবে ৫৪টি দেশের জন্য। সেই দেশগুলোর তালিকায় নেই বাংলাদেশ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন গালফ নিউজ। এতে বলা হয়, শেনজেন বলতে বোঝানো হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাসপোর্ট-ফ্রি জোন। এর অধীনে রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশির ভাগ দেশ।

সেখানে যেকোনো ব্যক্তিকে শেনজেনভুক্ত এলাকার যেকোনো সদস্যদেশে সফর করতে দেয়া হয়। এই শেনজেন জোনে কোনো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে সেখানে প্রবেশের বিষয়ে সর্বশেষ সরকারি বিবৃতি এ সপ্তাহে পরের দিকে ঘোষণা করার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, তা ১লা জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হবে। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রতিটি দেশের মহামারি পরিস্থিতি এবং করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপ, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা, বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হয়েছে কিনা- এসব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই দেশগুলোর তালিকা আপডেট করা হবে। ওদিকে ১১ই জুন এ বিষয়ক কমিশন শেনজেন সীমান্ত ১৫ই জুন খুলে দেয়ার বিষয়ে তাদের সুপারিশ উত্থাপন করে, যাতে ইউরোপিয়ানরা অবাধে সীমান্তের পরোয়া না করেই মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারেন, যেমনটা তারা করতেন মহামারির আগে। কমিশন আরো সুপারিশ করে যে, আগামী ১লা জুলাই থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩০টি দেশের নাগরিকদের প্রবেশ করতে দেয়ার শুরু করা উচিত সদস্য দেশগুলোর।
শেনজেনভুক্ত দেশগুলো হলো অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাতভিয়া, লিচেটেনস্টেইন, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড।সেখানে যেকোনো ব্যক্তিকে শেনজেনভুক্ত এলাকার যেকোনো সদস্যদেশে সফর করতে দেয়া হয়। এই শেনজেন জোনে কোনো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে সেখানে প্রবেশের বিষয়ে সর্বশেষ সরকারি বিবৃতি এ সপ্তাহে পরের দিকে ঘোষণা করার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, তা ১লা জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হবে। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রতিটি দেশের মহামারি পরিস্থিতি এবং করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপ, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা, বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হয়েছে কিনা- এসব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই দেশগুলোর তালিকা আপডেট করা হবে। ওদিকে ১১ই জুন এ বিষয়ক কমিশন শেনজেন সীমান্ত ১৫ই জুন খুলে দেয়ার বিষয়ে তাদের সুপারিশ উত্থাপন করে, যাতে ইউরোপিয়ানরা অবাধে সীমান্তের পরোয়া না করেই মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারেন, যেমনটা তারা করতেন মহামারির আগে। কমিশন আরো সুপারিশ করে যে, আগামী ১লা জুলাই থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩০টি দেশের নাগরিকদের প্রবেশ করতে দেয়ার শুরু করা উচিত সদস্য দেশগুলোর।
শেনজেনভুক্ত দেশগুলো হলো অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাতভিয়া, লিচেটেনস্টেইন, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড।

Comment As:

Comment (0)