No icon

মার্কিন বাহিনীকে ইরাক থেকে বের করে দেয়া হবে: প্রতিরোধ আন্দোলন

ইরাকের প্রতিরোধকামী সংগঠন আসাইব আহাল আল হক বলেছে, সংসদের অনুমতি ছাড়া দেশের ভূ্খন্ডে কোনো বিদেশি সেনার উপস্থিতি বজায় রাখা ইরাক সরকারের অধিকার নেই। ইরাকে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি দেশের সংবিধানের পরিপন্থি বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রতিরোধকামী সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখার মুখপাত্র মাহমুদ আল রুবাই ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন যে ইরাকে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি দেশের বিদ্যমান সংবিধানের সুষ্পষ্ট লংঙ্ঘন। 

তিনি আরো বলেন, ইরাকে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি থাকার বিষয়ে সংসদের সঙ্গে কোনো চুক্তি নেই বা সংসদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অনুমোদন নেই। ইরাক যেহেতু সংসদীয় আইন কানুনের নীতিতে পরিচালিত হয় তাই সংসদের অনুমতি বা সম্মতি ছাড়া এ দেশের মাটিতে কোনো বিদেশি সেনা ধরে  রাখা সরকারের কোনো অধিকার নেই। 

শহীদ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং আবু আল মহান্দিস

মুখপাত্র রুবাই বলেন, বিগত সরকারের মতো বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার স্বীকার করেছে যে মার্কিন সেনারা না ইরাকে উপদেষ্টার ভূমিকা পালন করছে না তারা ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তারা বরং মার্কিন কেন্দ্রীয় স্থল বাহিনীর পক্ষ হয়ে ইরাকের মাটিতে নানা ধরনের অপরাধযজ্ঞ চালিয়েছে।  

তিনি বলেন, "মার্কিন সেনারা যেসব ক্ষমাহীন এবং অমার্জনীয় অপরাধ করেছে তার মধ্যে আমাদের বিজয়ী কমান্ডারদের শহীদ করার বিষয়টি প্রধান উল্লেখযোগ্য।" এ বিষয়ে তিনি ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাছে সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ে নিয়োজিত ইরানের কুদস বাহিনীর প্রভাবশালী কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের পপ্যুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটের উপপ্রধান আবু আল মুহান্দিসের শাহাদাতের বিষয়টি উল্লেখ করেন। এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই ইরাকের মাটি থেকে মার্কিন সেনাদের বিতাড়িত করার লক্ষ্যে ইরাকের সংসদ একটি আইন পাস করে

Comment As:

Comment (0)