No icon

ছাত্রশিবির নেতাকে জড়িয়ে যুগান্তরের এ কেমন হলুদ সাংবাদিকতা

পবিত্র কালেমা লিখিত পতাকাকে পাকিস্তানের পতাকা বলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানায়।জাবি আন্দোলন থেকে দেশের জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য মূলত এই হলুদ সাংবাদিকতা 

যুগান্তরের খবরঃ শিবির নেতার বাড়ি থেকে পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার!

প্রথম কথা: অন্য কোনো দেশের পতাকা কাছে থাকা অপরাধ কিনা? 

দ্বিতীয় কথা: এখানে আবার বলা হচ্ছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবির নেতা আইয়ুব আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এক বস্তা জিহাদি বই, অর্থ আদায়ের রশিদ, দলে যোগদানের কুপন ও পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার করা হয়েছে।দেশের একটি বৈধ সংগঠনের নেতার ঘরে এইগুলা রাখা কি অপরাধ? এজন্য পুলিশ কি কাউকে গ্রেফতার করতে পারে?

তৃতীয় কথা: এটা কি আদৌ পাকিস্তানের পতাকা?

এখানে উদ্ধার হওয়া পতাকায় দেখা যাচ্ছে কালেমা লেখা আর সাথে চাঁদ তারা। তাহলে এটা পাকিস্তানের পতাকা হলো কিভাবে?

পুলিশের এ কেমন আচরণ?

এ কেমন হলুদ সাংবাদিকতা?

জিহাদের কথা হাদিসে আছে । হাদিসকে জিহাদের বই বলা মোটেও সঠিক নয় । ইসলামিক জ্ঞান অর্জন করা দোষের কিছু নয় ।  বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির একটিও আত্মঘাতী হামলার সাথে জড়িত নয় ।মিডিয়ায় ইসলামী ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার নতুন কিছু না । দেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের অঙ্গসংঘটন এর হাতে বিগত ১০ বছরে দেশের অনেক মানুষ নির্যাতিত ও হত্যার শিকার হয়েছে।ছাত্রলীগ কর্তৃক বিশ্বজিৎকে হত্যার ভিডিও ফুটেজ দেশের মানুষ দেখেছে । কিন্তু মিডিয়া তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের অঙ্গসংঘটন নিরাপদে সব কুকর্ম করে যেতে পারে।অন্যদিকে ছাত্রশিবির জিহাদি বই পড়ে বিগত ১০ বছরে কাকে হত্যা করেছে তার প্রমান যুগান্তরের দেয়া উচিত।

Comment As:

Comment (0)