No icon

ছাত্রলীগের হামলার পর জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক সংগ্রাম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার !

আবারও বাকস্বাধীনতা উপরে আঘাত করে নির্লজ্জের মতো বাংলাদেশের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক সংগ্রাম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার । গত ১৩ডিসেম্বর ২০১৯ জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দৈনিক সংগ্রাম অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছিল  ছাত্রলীগ। এ সময় পত্রিকার সম্পাদক আবুল আসাদকে অপহরণ করে নিয়ে যায় তারা।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে সংগঠনটি মগবাজারের এই অফিসে অবস্থান নেয়। এসময় পত্রিকাটির কয়েকটি কপি আগুনে পোড়ানো হয়।
এর আগে, বিকাল পাঁচটা থেকে ছাত্রলীগ নেতারা পত্রিকাটির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। সাড়ে ছয়টার দিকে বিক্ষোভকারীরা পত্রিকার কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা এসময় নিউজরুমসহ বিভিন্ন রুমের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।পত্রিকা অফিসে কাজ করা সাংবাদিকরা ছিল আতংকিত এবং জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ।


কিন্তু সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় না এনে পত্রিকাটি আজ বন্ধ করে দিয়ে ছাত্রলীগকে পুরুস্কৃত করেছে সরকার। এই সংস্কৃতি চালু হয়েছে, সরকার দলীয় সংঘটন গুলো অন্যায়,অত্যাচার, সন্ত্রাসীমূলক যায় করুক তার বিচার হবে না ।ছাত্রলীগের হামলার ভিডিওটি দেখে যেকোনো মানুষ ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে যাবে ।একটি রাষ্ট্র কি করে এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পৃষ্ঠপোষক হতে পারে ?
অন্যদিকে সরকারের চাপে প্রধান সারির সংবাদ মাধ্যম এই গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রচার করা থেকে বিরত থাকে | পত্রিকার ওয়েবসাইট  www.dailysangram.com ও বন্ধ | 

দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা তলানিতে পোঁছেছে সাথে চালু হয়েছে বিচারহীনতার সংস্কৃতি । পুলিশ,আইন, আদালত আছে বিরোধী দল ও মতের মানুষকে দমন করার জন্য ।

Comment As:

Comment (0)