No icon

হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সরানো হল বাবুনগরীকে

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

সম্প্রতি চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় বড় ধরণের একটি পরিবর্তন হয়েছে। নায়েবে মুহতামিমের পদ থেকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে বাদ দিয়ে শেখ আহমদ নামে একজনকে আল্লামা আহমদ শফীর উত্তরসূরী করা হয়েছে। আহমদ শফী অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন বাবুনগরী।

একটি মাদরাসার পরিচালনা পরিষদে পরিবর্তন-পরিবর্ধন হওয়া একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। কিন্তু চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা বাংলাদেশের মধ্যে একটি আলোচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কওমী অঙ্গনেও এটা একটি বড় দীনি প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবনগরীর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম গঠনের পর থেকেই মাদরাসাটি আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।

শুধু দেশের মধ্যেই না, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও এই মাদরাসাটি এখন পরিচিত। বিশেষ হেফাজতে ইসলামের সরকার বিরোধী কিছু কর্মসূচি ও ২০১৩ সালের ৫ মে’র শাপলা চত্বরের ঘটনার পর থেকে আহমদ শফী ও বাবুনগরী আরও বেশি আলোচনায় চলে আসেন।

দেখা গেছে, শাপলা চত্তরের ওই ঘটনার পর থেকেই সরকার হেফাজতে ইসলামকে কৌশলে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। হেফাজতের আমির আহমদ শফীকে বশ মানাতে সক্ষম হলেও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে পক্ষে আনতে ব্যর্থ হয় সরকার। এরপর থেকেই বাবুনগরীর উপর সরকারের ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

এসব কারণে হাটহাজারী মাদরাসার নায়েবে মুহতামিমের পদ থেকে জুনায়েদ বাবুনগরীকে বাদ দেয়ার বিষয়টিও আলোচনায় চলে আসে।

জুনায়েদ বাবুনগরী স্পষ্ট করে বলেছেন যে, নায়েবে মুহতামিমের পদ থেকে আমি পদত্যাগ করিনি। আমাকে পদত্যাগ করতে বলাও হয়নি। কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলছেন বাবুনগরী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

অ্যানালাইসিস বিডির কয়েকদিনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালকের পদ থেকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরাসরি সরকারের নির্দেশে বাদ দেয়া হয়েছে। আর এখানে নাটেরগুরু হিসেবে কাজ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদরাসার শুরা সদস্যরা জুনায়েদ বাবুনগরীকে তার পদ থেকে সরাতে রাজি ছিলেননা। তাদের ইচ্ছা ছিল আল্লামা শফীর উত্তরসূরী হিসেবে তাকেই মনোনীত করবেন। যেহেতু তিনি দীর্ঘদিন ধরে নায়েবে মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু, হাছান মাহমুদের চাপেরমুখে তারা জুনায়েদ বাবুনগরীকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হন।

সূত্রগুলো বলেছে, হাছান মাহমুদের আশঙ্কা ভবিষ্যতে জুনায়েদ বাবুনগরী মহাপরিচালক হলে হেফাজতে ইসলামের আবার নতুন করে উত্থান ঘটবে। বাবুনগরী যেহেতু সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে তাই তখন হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়বে। এই আশঙ্কা থেকেই হাছান মাহমুদ জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরিয়ে দিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য দিয়ে পরিচালনা কমিটির উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন।

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

সম্প্রতি চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় বড় ধরণের একটি পরিবর্তন হয়েছে। নায়েবে মুহতামিমের পদ থেকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে বাদ দিয়ে শেখ আহমদ নামে একজনকে আল্লামা আহমদ শফীর উত্তরসূরী করা হয়েছে। আহমদ শফী অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন বাবুনগরী।

একটি মাদরাসার পরিচালনা পরিষদে পরিবর্তন-পরিবর্ধন হওয়া একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। কিন্তু চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা বাংলাদেশের মধ্যে একটি আলোচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কওমী অঙ্গনেও এটা একটি বড় দীনি প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবনগরীর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম গঠনের পর থেকেই মাদরাসাটি আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।

শুধু দেশের মধ্যেই না, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও এই মাদরাসাটি এখন পরিচিত। বিশেষ হেফাজতে ইসলামের সরকার বিরোধী কিছু কর্মসূচি ও ২০১৩ সালের ৫ মে’র শাপলা চত্বরের ঘটনার পর থেকে আহমদ শফী ও বাবুনগরী আরও বেশি আলোচনায় চলে আসেন।

দেখা গেছে, শাপলা চত্তরের ওই ঘটনার পর থেকেই সরকার হেফাজতে ইসলামকে কৌশলে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। হেফাজতের আমির আহমদ শফীকে বশ মানাতে সক্ষম হলেও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে পক্ষে আনতে ব্যর্থ হয় সরকার। এরপর থেকেই বাবুনগরীর উপর সরকারের ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

এসব কারণে হাটহাজারী মাদরাসার নায়েবে মুহতামিমের পদ থেকে জুনায়েদ বাবুনগরীকে বাদ দেয়ার বিষয়টিও আলোচনায় চলে আসে।

জুনায়েদ বাবুনগরী স্পষ্ট করে বলেছেন যে, নায়েবে মুহতামিমের পদ থেকে আমি পদত্যাগ করিনি। আমাকে পদত্যাগ করতে বলাও হয়নি। কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলছেন বাবুনগরী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

অ্যানালাইসিস বিডির কয়েকদিনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালকের পদ থেকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরাসরি সরকারের নির্দেশে বাদ দেয়া হয়েছে। আর এখানে নাটেরগুরু হিসেবে কাজ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদরাসার শুরা সদস্যরা জুনায়েদ বাবুনগরীকে তার পদ থেকে সরাতে রাজি ছিলেননা। তাদের ইচ্ছা ছিল আল্লামা শফীর উত্তরসূরী হিসেবে তাকেই মনোনীত করবেন। যেহেতু তিনি দীর্ঘদিন ধরে নায়েবে মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু, হাছান মাহমুদের চাপেরমুখে তারা জুনায়েদ বাবুনগরীকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হন।

সূত্রগুলো বলেছে, হাছান মাহমুদের আশঙ্কা ভবিষ্যতে জুনায়েদ বাবুনগরী মহাপরিচালক হলে হেফাজতে ইসলামের আবার নতুন করে উত্থান ঘটবে। বাবুনগরী যেহেতু সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে তাই তখন হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়বে। এই আশঙ্কা থেকেই হাছান মাহমুদ জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরিয়ে দিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য দিয়ে পরিচালনা কমিটির উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন।

Comment As:

Comment (0)