No icon

সাহেদকে র‌্যাব হেফাজতে রেখেই গ্রেফতারি পরোয়ানা নাটক

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিশ্ব প্রতারক হিসেবে আখ্যা পাওয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য সাহেদ কোথায়? তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? তার ক্ষমতা কি সরকারের চেয়েও বেশি? চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবার মুখে এসব প্রশ্নই শুনা যাচ্ছে।

গত তিন আগে অ্যানালাইসিস বিডির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাহেদ সরকারের হেফাজতেই আছেন। সাহেদের এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সরকারের কারা কারা জড়িত এসব জানার পরই সরকার সাহেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো হলে সরকার তাকে গ্রেফতার দেখাবে। আর ভাবমর্যাদা বেশি ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখলে সরকার তাকে রাতের আধারে সীমান্তের উপারে পাঠিয়ে দেবে। অ্যানালাইসিস বিডির সেই প্রতিবেদনই সত্য হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সাহেদ র‌্যাবের হেফাজতেই আছে। তাকে গ্রেফতার দেখানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু চূড়ান্ত নয়।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রতিদিনই গণমাধ্যমকে বলছেন, সাহেদ যদি আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। মন্ত্রীর এই কথা থেকেই বুঝা যায় সাহেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানা আছে।

অপরদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় অর্থআত্মসাতের একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

আর আদালতের এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই জানা গেছে, সাহেদ পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশ তৎপর অবস্থায় রয়েছে। যানবাহনও তল্লাশি চালাচ্ছে।

ধারনা করা হচ্ছে, ওই এলাকা থেকেই সাহেদকে গ্রেফতার দেখাতে পারে পুলিশ। গ্রেফতারের পর বলা হবে যে, সাহেদ পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আবার অসমর্থিত একটি সূত্রে জানা গেছে, সাহেদকে আজ রাতে কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতেও পাঠিয়ে দিতে পারে। তবে, এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। গ্রেফতার দেখানোর সম্ভাবনাই বেশি।

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিশ্ব প্রতারক হিসেবে আখ্যা পাওয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য সাহেদ কোথায়? তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? তার ক্ষমতা কি সরকারের চেয়েও বেশি? চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবার মুখে এসব প্রশ্নই শুনা যাচ্ছে।

গত তিন আগে অ্যানালাইসিস বিডির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাহেদ সরকারের হেফাজতেই আছেন। সাহেদের এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সরকারের কারা কারা জড়িত এসব জানার পরই সরকার সাহেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো হলে সরকার তাকে গ্রেফতার দেখাবে। আর ভাবমর্যাদা বেশি ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখলে সরকার তাকে রাতের আধারে সীমান্তের উপারে পাঠিয়ে দেবে। অ্যানালাইসিস বিডির সেই প্রতিবেদনই সত্য হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সাহেদ র‌্যাবের হেফাজতেই আছে। তাকে গ্রেফতার দেখানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু চূড়ান্ত নয়।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রতিদিনই গণমাধ্যমকে বলছেন, সাহেদ যদি আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। মন্ত্রীর এই কথা থেকেই বুঝা যায় সাহেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানা আছে।

অপরদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় অর্থআত্মসাতের একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

আর আদালতের এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই জানা গেছে, সাহেদ পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশ তৎপর অবস্থায় রয়েছে। যানবাহনও তল্লাশি চালাচ্ছে।

ধারনা করা হচ্ছে, ওই এলাকা থেকেই সাহেদকে গ্রেফতার দেখাতে পারে পুলিশ। গ্রেফতারের পর বলা হবে যে, সাহেদ পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আবার অসমর্থিত একটি সূত্রে জানা গেছে, সাহেদকে আজ রাতে কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতেও পাঠিয়ে দিতে পারে। তবে, এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। গ্রেফতার দেখানোর সম্ভাবনাই বেশি।

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিশ্ব প্রতারক হিসেবে আখ্যা পাওয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য সাহেদ কোথায়? তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? তার ক্ষমতা কি সরকারের চেয়েও বেশি? চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবার মুখে এসব প্রশ্নই শুনা যাচ্ছে।

গত তিন আগে অ্যানালাইসিস বিডির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাহেদ সরকারের হেফাজতেই আছেন। সাহেদের এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সরকারের কারা কারা জড়িত এসব জানার পরই সরকার সাহেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো হলে সরকার তাকে গ্রেফতার দেখাবে। আর ভাবমর্যাদা বেশি ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখলে সরকার তাকে রাতের আধারে সীমান্তের উপারে পাঠিয়ে দেবে। অ্যানালাইসিস বিডির সেই প্রতিবেদনই সত্য হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সাহেদ র‌্যাবের হেফাজতেই আছে। তাকে গ্রেফতার দেখানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু চূড়ান্ত নয়।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রতিদিনই গণমাধ্যমকে বলছেন, সাহেদ যদি আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। মন্ত্রীর এই কথা থেকেই বুঝা যায় সাহেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানা আছে।

অপরদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় অর্থআত্মসাতের একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

আর আদালতের এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই জানা গেছে, সাহেদ পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশ তৎপর অবস্থায় রয়েছে। যানবাহনও তল্লাশি চালাচ্ছে।

ধারনা করা হচ্ছে, ওই এলাকা থেকেই সাহেদকে গ্রেফতার দেখাতে পারে পুলিশ। গ্রেফতারের পর বলা হবে যে, সাহেদ পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আবার অসমর্থিত একটি সূত্রে জানা গেছে, সাহেদকে আজ রাতে কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতেও পাঠিয়ে দিতে পারে। তবে, এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। গ্রেফতার দেখানোর সম্ভাবনাই বেশি।

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিশ্ব প্রতারক হিসেবে আখ্যা পাওয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য সাহেদ কোথায়? তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? তার ক্ষমতা কি সরকারের চেয়েও বেশি? চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবার মুখে এসব প্রশ্নই শুনা যাচ্ছে।

গত তিন আগে অ্যানালাইসিস বিডির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাহেদ সরকারের হেফাজতেই আছেন। সাহেদের এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সরকারের কারা কারা জড়িত এসব জানার পরই সরকার সাহেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো হলে সরকার তাকে গ্রেফতার দেখাবে। আর ভাবমর্যাদা বেশি ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখলে সরকার তাকে রাতের আধারে সীমান্তের উপারে পাঠিয়ে দেবে। অ্যানালাইসিস বিডির সেই প্রতিবেদনই সত্য হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সাহেদ র‌্যাবের হেফাজতেই আছে। তাকে গ্রেফতার দেখানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু চূড়ান্ত নয়।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রতিদিনই গণমাধ্যমকে বলছেন, সাহেদ যদি আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। মন্ত্রীর এই কথা থেকেই বুঝা যায় সাহেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানা আছে।

অপরদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় অর্থআত্মসাতের একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

আর আদালতের এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই জানা গেছে, সাহেদ পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশ তৎপর অবস্থায় রয়েছে। যানবাহনও তল্লাশি চালাচ্ছে।

ধারনা করা হচ্ছে, ওই এলাকা থেকেই সাহেদকে গ্রেফতার দেখাতে পারে পুলিশ। গ্রেফতারের পর বলা হবে যে, সাহেদ পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আবার অসমর্থিত একটি সূত্রে জানা গেছে, সাহেদকে আজ রাতে কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতেও পাঠিয়ে দিতে পারে। তবে, এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। গ্রেফতার দেখানোর সম্ভাবনাই বেশি।

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

বিশ্ব প্রতারক হিসেবে আখ্যা পাওয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য সাহেদ কোথায়? তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? তার ক্ষমতা কি সরকারের চেয়েও বেশি? চায়ের স্টল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবার মুখে এসব প্রশ্নই শুনা যাচ্ছে।

গত তিন আগে অ্যানালাইসিস বিডির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাহেদ সরকারের হেফাজতেই আছেন। সাহেদের এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সরকারের কারা কারা জড়িত এসব জানার পরই সরকার সাহেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো হলে সরকার তাকে গ্রেফতার দেখাবে। আর ভাবমর্যাদা বেশি ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখলে সরকার তাকে রাতের আধারে সীমান্তের উপারে পাঠিয়ে দেবে। অ্যানালাইসিস বিডির সেই প্রতিবেদনই সত্য হতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সাহেদ র‌্যাবের হেফাজতেই আছে। তাকে গ্রেফতার দেখানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু চূড়ান্ত নয়।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রতিদিনই গণমাধ্যমকে বলছেন, সাহেদ যদি আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। মন্ত্রীর এই কথা থেকেই বুঝা যায় সাহেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানা আছে।

অপরদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় অর্থআত্মসাতের একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

আর আদালতের এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই জানা গেছে, সাহেদ পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশ তৎপর অবস্থায় রয়েছে। যানবাহনও তল্লাশি চালাচ্ছে।

ধারনা করা হচ্ছে, ওই এলাকা থেকেই সাহেদকে গ্রেফতার দেখাতে পারে পুলিশ। গ্রেফতারের পর বলা হবে যে, সাহেদ পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আবার অসমর্থিত একটি সূত্রে জানা গেছে, সাহেদকে আজ রাতে কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতেও পাঠিয়ে দিতে পারে। তবে, এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম। গ্রেফতার দেখানোর সম্ভাবনাই বেশি।

Comment As:

Comment (0)